Showing posts with label অ্যাডসেন্স. Show all posts
Showing posts with label অ্যাডসেন্স. Show all posts

ব্লগ থেকে কিভাবে গুগল এডসেন্সে এপ্লাই করবেন ?

একসময় খুব সহজে পাওয়া  যেত গুগল  এডসেন্সে একটি একাউন্ট ।ওয়েবসাইট সয়ংসম্পূর্ণ করতে হবে  আপনার ওয়েবসাইট এ কমপক্ষে ৫টি মেনু থাকতে হবে এবং প্রত্যেকটি মেনুতে নুন্যতম ৭/৮টি আর্টিকেল থাকতে হবে । আর আপনি যদি ব্লগস্পট থেকে এডসেন্সে একটি একাউন্ট পেতে চান সেক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই ব্লগ এর ভিতর থেকে গুগল এডসেন্সে এপ্লাই করতে হবে ।   কিভাবে করবেন তা নিচে দেখানো হলো ।   প্রথমে আপনার ব্লগ এ সাইন ইন করুন  তারপর আপনার  ব্লগ এর Go to post list আইকন এ ক্লিক করুন  ।
  কিন্তু এখন আর খুব সহজে পাওয়া যায়না,  গুগল এডসেন্সে একাউন্ট পেতে আপনাকে  আপনার 
Earning অপশন সিলেক্ট করুন
Switch  Adsense Account  এ ক্লিক করুন
Create a new Adsense Account tab এ Create account এ ক্লিক করুন
Create an adsense account এ Account type : Individual  সিলেক্ট করুন  এবং  Country or territory : Bangladesh সিলেক্ট করুন
তারপর Contact Information দিন,  এখানে Payee name এ আপনার নাম দিন, আর তা যেন অবশ্যই  Bank Account এর সাথে মিল থাকে ।  Bank Account না থাকলে আপনার রিয়াল নাম দিন, ওই নামে পরে Bank Account একাউন্ট করে নিবেন । আর আপনার ঠিকানা অবশ্যই আসল ঠিকানা দিবেন । কেননা গুগল আপনার ওই ঠিকানায় চিঠি পাঠাবে এবং আপনাকে ভেরিফাই করবে ।
সর্বশেষে আপনার মোবাইল নাম্বার দিন এবং Policies এর সকল অপশন এ টিক দিয়ে Submit  Information এ ক্লিক দিন ।
আপনি চাইলে Continue করার আগে আপনার তথ্য আরেকবার সম্পাদন করতে পারবেন । এজন্য Edit Account Information এ ক্লিক করতে হবে, আর সম্পাদন করতে না চাইলে Continue তে ক্লিক দিন  ।  দু / তিন দিনের মধ্যে একটা মেসেজ পাবেন, তারপর ১ সপ্তাহ কিংবা ১ মাস কিংবা তার কম সময়ের মধ্যে আরেকটি Confirmation Email আসবে, যাতে সকল terms and condition এ I agree দিয়ে submit করলেই কাজ শেষ । ব্যাস হয়ে গেল আপনার গুগল এডসেন্সে একাউন্ট  ।


আপনার  গুগল এডসেন্সে একাউন্ট একটিভ হয়ে গেলে আপনার account এ যখন সাইন ইন করবেন,   Google Adsense একাউন্ট এর Home Page এভাবে দেখতে পাবেন   । এখান থেকে ad নিয়ে আপনার সাইটে  দিবেন, আর আপনার site visit হলে এবং  ad এ ক্লিক পড়লেই আপনার ইনকাম হবে আর তা Google Adsense এর Home Page এ আসলে দেখতে পাবেন  । নির্ধারিত সময় পর  Google আপনাকে চেক পাঠাবে  ।

গুগল অ্যাডসেন্স কি?? নতুনরা জেনে নিন+সহজে পাওয়ার উপায়

কি ভাই অবাক হলেন? এই  মুহূর্তে হয়ত এমন অনেকেই আছেন যারা ইন্টারনেট থেকে আয় করতে চান । আবার অনেকেই অ্যাডসেন্স এর নাম শুনেছেন কিন্তু বিস্তারিত জানেন না।তাদের জন্য আমার এই পোস্ট।
আমরা আমাদের প্রতিদিনের বিভিন্ন কাজের জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ওয়েব সাইট এ ভিজিট করে থাকি , সে সময় দেখা যায় সেই সব সাইটের কোন কোন টিতে ব্যানারের স্থানে বা পাশের সাইড বারে বা পোস্টের মাঝে কত গুলি  লিঙ্ক থাকে আর তাতে লেখা থাকে “ads by Google”। এখন হয়ত আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে “ads by Google” বা এই “গুগল অ্যাডসেন্স কি” । হ্যা এই অ্যাডস গুলিই  গুগল অ্যাডসেন্স । আপনি হয়ত জেনে থাকবেন যে আপনি যদি ঐ সব লিংকে ক্লিক করেন তবে ওই সাইটের মালিকের গুগল আডসেন্স এ্যাকাউন্টে কিছু টাকা জমা হবে। আর তাই এখন হয়ত এও জানতে চাইবেন যে কিভাবে গুগল অ্যাডসেন্স থেকে টাকা আয় করা যায়।
আসলে গুগল অ্যাডসেন্স   হচ্ছে গুগল পরিচালিত একটি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন। এটি মূলত একটি লাভ-অংশিদারী
প্রকল্প যার মাধ্যমে গুগল ও তার ব্যবহারকারী তাদের ওয়েবসাইটে  বিজ্ঞাপন প্রচার করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগের মালিক কিছু শর্তসাপেক্ষে তার সাইটে গুগল নির্ধারিত বিজ্ঞাপণ দেখানর বা স্থাপনের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। আজকের অনলাইন বিশ্বে এই বিষয়টি ব্যপক সাড়া জাগিয়েছে। বিজ্ঞাপণদাতাদের নিকট থেকে প্রাপ্ত অর্থের ৫০ থেকে ৬০ ভাগ টাকাই  ওয়েবসাইটের  মালিকদের মাঝে ভাগাভাগি করে নেয়।  আর গুগল অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে যেকেউ অর্থ আয় করতে পারে। প্রচুর বাংলাদেশী ব্লগার এবং ওয়েবসাইটের মালিক গুগল অ্যডসেন্সের বিজ্ঞাপণ প্রদর্শণের মাধ্যমে বর্তমানে অর্থ আয় করছেন।
প্রথমেই বলে রাখি গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আপনি যদি ইনকাম করতে চাইলে আপনার একটি নিজের ওয়েব সাইট থাকা দরকার, তবে না থাকলেও যে আয় করা সম্ভব না তাও কিন্তু নয় । এই সাইট টা ফ্রি হলেও চলবে ।
গুগল অ্যাডসেন্সে একাউন্ট কি ভাবে করতে হয়
গুগল অ্যাডসেন্স একাউন্ট এর জন্য প্রথমেই আপনার একটি জিমেইল একাউন্ট থাকতে হবে। গুগল অ্যাডসেন্স একাউন্ট তৈ্রী করতে উপায় নিন্মে ধারাবাহিক ভাবে আলোচনা করা হল ।
  • যদি আপনার জিমেইলে কোন একাউন্ট না থাকে থাকে এখনি একটা একাউন্ট করে নিন । যা সম্পূর্ন ফ্রি ।এখন লগ অন করুন ।
  •  www.google.com/adsense এ গিয়ে   sing up বাটনে ক্লিক করুন ।
  • তার পর একটি ফরম আসবে । ফরম এ আপনার ওয়েব সাইট এর নাম , তারপর কোন ভাষায় আপনার ওয়েব সাইট , আপনার Account type ,আপনার Country , আপনার নাম (তবে মনে রাখবেন যেনামে আপনার ব্যাংকের একাউন্ট সেই নাম দিবেন না হলে পরে ঝামেলা হবে) , আপনার Street Address , City/Town , এখন কোথায় থাকেন  ইত্যাদি ।ফর্মটি ঠিকভাবে পুরন করে সাবমিট ইনফর্মেশন বাটনে ক্লিক করুন।
আপাতত আপনার কাজ শেষ । এখন গুগলের  একজন ইঞ্জিনিয়ার আপনার রিকোয়স্ট ভ্যারিফাই করবে , আর যদি সব কিছু ঠিক থাকে তবে আপনার একাউন্ট এক্টিভ হবে । তারপরে আপনার সাইটে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আপনিও আয় করতে পারবেন ।
পোস্ট Courtesy: http://earnfrombangladesh.bd24x7.com
অনেকেই আছেন যারা অনেকবার চেষ্টা করার পরেও অ্যাডসেন্স   পাচ্ছেন না । তারা হয়ত জানেন না এখন Blogspot   ডোমেইন  এর জন্য খুব সহজেই অ্যাডসেন্স পাওয়া যায়।ওয়েবসাইট ছাড়াও ইউটিউব থেকে অ্যাডসেন্স দিয়ে টাকা আয় করা যায় ।এটা নিয়ে  আরেকদিন পোস্ট করব। আপনি চাইলে আমি করে দিতে পারি।

অ্যাডসেন্স ও ব্লগস্পট থেকে ইনকাম বিষয়ক আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা ও কিছু পরামর্শঃঃআমি পেরেছি আশা করি আপনিও পারবেন।

আসসালামু আলাইকুম। আশাকরি সবাই ভালো আছেন। কথা না বাড়িয়ে আমি মূল বিষয়ে আসছি। আজকে আমি আপনাদের সাথে অ্যাডসেন্স ও ব্লগস্পট নিয়ে কিছু কথা শেয়ার করবো।আমদের মাঝে অনেকেই আছেন যারা গুগলের ব্লগস্পট এ বিভিন্ন ধরনের লেখালেখি শেয়ার করেন। এবং অ্যাডসেন্স এর মাধ্যমে ইনকামও করছেন। অনেকে যারা নতুন তারা ব্লগ করার চিন্তা ভাবনা করছেন এবং ব্লগে অ্যাডসেন্স এর মাধ্যমে ইনকাম করার উপায় খুজছেন। এই লেখাটি কিছুটা হলেও আপনাদের উপকারে আসবে বলে আশা রাখি। প্রথমেই একটা বিষয় বলে রাখি আমি নিজেও ব্লগস্পট ও অ্যাডসেন্স এর মাধ্যমে ইনকাম এর ব্যাপারে কিছু সফলতা পেয়েছি আর সেই অভিজ্ঞতা আপনাদের সাথে শেয়ার করতে এসেছি। কিছু প্রশ্ন ও উত্তরের সম্বন্বয়ে টিউনটি লিখছি.

1. ব্লগস্পট ও অ্যাডসেন্স এর মাধ্যমে আসলে কি ইনকাম করা সম্ভব?
হ্যাঁ সম্ভব। আগেই বলেছি আমি পেরেছি আপনিও পারবেন। কিন্তু আপনাদের নিরাশ করে বলছি, যারা অ্যাডসেন্স এর মাধ্যমে রাতারাতি হাজার হাজার ডলার ইনকাম করার চিন্তা করছেন তারা এখনি কেটে পড়ুন,রাতরাতি হাজার হাজার ডলার ইনকাম করার কোন পরামর্শ আমি দিতে আসিনি,আর আমার মনে হয় তা সম্ভব ও না। জানি না কেও (বাংলাদেশ এর প্রেক্ষাপটে বলছি) পেরেছে কি না!!! হাজার হাজার ডলার হয়তো ইনকাম করা সম্ভব না কিন্তু প্রতি ১ বা ২ মাসে 100 ডলার ইনকাম করা অবশ্যই সম্ভব। (আপনারা হয়তো জানেন অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট এ মিনমাম ১০০ ডলার জমা হলেই গুগল পেমেন্ট পাঠিয়ে দেয়)। তাতে অন্তত আপনার নেট এর বিল আর হাত খরচের টাকাট চলে আসবে,তাই নয় কি?
2. তাহলে কি ভাবে কি দিয়ে শুরু করবো?
প্রথমেই আপনার দরকার ব্লগস্পট এ একটি ব্লগ। শুধু ব্লগস্পট এর কথা বলছি কারন আমি এটা দিয়েই ইনকাম করতে পেরেছি আর আমি আমার অভিজ্ঞতা শেয়া করছি মাত্র। যাই হোক আপনি যে বিষয়ে পারদর্শী সে বিষয় বা সে সকল বিষয় নির্বাচন করে একটি ব্লগ ওপেন করুন। আপনি যদি নিজে লিখতে নাও পারেন তাহলে আপনার পছন্দের বিষেয়ে ইন্টারনেট থেকে বিভিন্ন কনটেন্ট সংগ্রহ করে তা সাজিয়ে উপস্থাপন করতে পারেন। আমি কপি পেষ্ট কে অবশ্যই উৎসাহিত করছি না কিন্তু এমন কিছু বিষয়ও আছে যা বিভিন্ন ওয়েব সাইট থেকে সংগ্রহ করে নিজের মত করে সুন্দর করে গুছিয়ে উপস্থাপন করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রেও যে বিষয়ে আপনার ভালো জ্ঞান আছে সে বিষয়টি নির্বাচন করুন। ব্লগস্পটে কিভাবে ব্লগ খুলতে হয় ও ব্লগ ডিজাইন করতে হয় সে বিষয়ে টেকটিউনসে আগেও অনেক টিউন হয়েছে তাই আমি আর সেদিকে গেলাম না। প্রয়োজন হলে সেগুলো নিয়ে একটু ঘাটাঘাটি করে দেখে নিবেন।
ব্লগ খোলার প্রথম ২ থেকে ৩ মাস আপনাকে একটু বেশি সময় দিতে হবে ও সামান্য পরিশ্রম করতে হবে। প্রথম কয়েক মাস প্রচুর পরিমানে তথ্যবহুল ও কোয়ালিটি সম্পন্ন ভালো টিউন দিতে থাকুন। পরে ধীরে ধীরে কোয়ালিটি বজায় রেখে টিউন এর সংখ্যা কমিয়ে দিলেও সমস্যা হবে না আশা করি। মনে রাখবেন "Content Is The King". হবহু কপি পেস্ট করলে আপনার কনটেন্ট তেমন কোন কাজে আসবে না। উদাহরণ স্বরুপ আমার ব্লগ অ্যাড্রেসটি দিব এই টিউন এর শেষে। যেটি দেখলে আপনাদের অনেক কিছুই হয়তো আরো কিছুটা পরিস্কার হয়ে আসবে।আমার ব্লগ এর বয়স ৬-৭ মাস হবে। ইতিমধ্যে দৈনিক 600+ ভিজিটর ও 1500 - 2500+ পেজ ভিউ পাওয়া যাচ্ছে, মাসে পেজ ভিউ ৫৫,000 +। মাত্র অল্প সময়ে আমি পারছি, কিভাবে আপনি পারবেন তা ধাপে ধাপে বলছি।
3. কখন ও কিভাবে অ্যাডসেন্স পাবো ও কিভাবে তা এপ্লাই করবো?
ব্লগ শুরু করার সাথে সাথেই অ্যাডসেন্স এর জন্য এপ্লাই করবেন না। কিছুদিন সময় নিন। ১ বা 2 মাস পর এটি করুন। কিভাবে অ্যাডসেন্স এর জন্য এপ্লাই করবেন ও তা অ্যাপ্রুভ করবেন সে বিষয়ে বিস্তারিত টিউন টেকটিউনসে করা আছে। আমি প্রায় সব কিছুই এখান থেকে শিখেছি। একটু ঘাটা ঘাটি করুন আপনার জানার পরিধি অবশ্যই বাড়তে বাধ্য।
শুধু ব্লগ আর অ্যাডসেন্স নিয়ে বসে থাকলেই কিন্তু চলবে না। ব্লগে পর্যাপ্ত ভিজিটরও আসতে হবে। কিভাবে পর্যাপ্ত ভিজিটর পাবেন সে বিষয়ে পরের পয়েন্টে আলোচনা করবো।
অ্যাডসেন্স বিষয়ক সর্তকতা:
* কখনও নিজেই নিজের অ্যাড এ ক্লিক করবেন না।
*প্রক্সি ব্যবহার করে অ্যাড এ ক্লিক করবেন না।
*আপনার অ্যাডসেন্স একাউন্টে অস্বাভাবিক কিছু বা Invalid click ধরা পড়লে সঙ্গে সঙ্গে গুগল কে রিপোর্ট করুন। আপনার একাউন্ট রক্ষা্ পাবে।
*আপনার ব্লগের অ্যাড এ ক্লিক করতে কাওকে আমন্ত্রন জানাবেন না। মনে রাখবেন, গুগল আপনার বা আমার থেকে অনেক বেশি বুদ্ধিমান। কোন চালাকি করতে গেলে আপনরা মূল্যবান অ্যাডসেন্স একাউন্টটি বাতিল হতে পারে।
4. কোথা থেকে ভিজিটর আসবে? কিভাবে ভিজিটর ধরে রাখা যাবে?
প্রথম কথা হলো আমার ব্লগের বেশিরভাগ ভিজিটর ই আসে বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন থেকে,তার মধ্যে সব থেকে বেশি আসে গুগল থেকে। ভিজিটর না থাকলে আপনার সকল পরিশ্রম বৃথা যাবে। কিভাবে আপনিও পারবেন?
Submit Your Sit to Search Engines:
আপনার সাইটি সব ধরনের সার্চ ইঞ্জিন  এ সাবমিট করুন। কিভাবে বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন  এ আপনার সাইটি সাবমিট করবেন সে বিষয়ে গুগলে একটু ঘাটাঘাটি করলেই বিস্তারিত পেয়ে ‍যাবেন আশা করি।
Comment on Various Blogs and Site To Create Back Link:
অন্যান্য ব্লগ ও সাইটে নিয়মিত টিউমেন্ট করুন ও আপনার সাইটের লিংক দিন। বিভিন্ন সাইটে আটিকেল লেখালেখি করুন। এটি আপনার সাইটের ব্যাক লিংক তৈরিতে সাহা্য্য করবে।যত বেশি ব্যাক লিংক তৈরি করবেন ততই আপনার পেজটি সার্চ ইঞ্জিন  এ শো করতে সহায়তা করবে। এবং এ সকল ব্যাক লিংক থেকে আপনি নিয়মিত ভিজিটর ও  পাবেন।
Do Not Create Back-link By One Click Back-link Submission Sites:
দেখা যায় যে অনেকে দ্রুত ব্যাক লিংক তৈরি করতে যেয়ে কিছু সহজ উপায় অবলম্বন করতে যায়। এ বিষয়ে আমি কিছু টিউন টেকটিউনসেও পেয়েছি। যেমন "Create Back-link Over 2500 Sites by One Click" পরামর্শ বা সর্তকতা যাই বলেন না কেন,ভুলেও এ সকল সাইটে আপনার লিংক সাবমিট করবেন না। সাময়িক ভাবে উপকৃত হলেও দীর্ঘমেয়াদে এর ফল খুবই খারাপ। সার্চ ইঞ্জিন  গুলো আপনার সাইটটি ব্লাক লিস্টেড করে দিতে পারে।
Use of Social Sites:
সোস্যাল সাইট গুলোতে আপনার সাইট এর ফ্যান পেজ বানাতে হবে। এবং আপনার সাইট এবং ফ্যান পেজ লিংক আপ করে দিতে হবে, যেন আপনি নতুন টিউন করা মাত্র তা আপনার ফ্যান পেজ এ চলে আসে। কারন সকলেই নিয়মিত সোস্যাল সাইট গুলো ভিজিট করে থাকে। আপনি আপনার সাইটে নতুন কি দিলেন তা তারা সেখান থাকে জানতে পারবে। এবং আপনার সাইটে এটি ভিজিটির বাড়াতে সাহায্য করবে। সোস্যাল সাইট গুলোর মধ্যে ফেসবুক, টুইটার, গুগল প্লাস,  লিংকড ইন এ সহ আরো অনেক কিছুই ব্যবহার করতে পারেন। এবং লিংক আপ করার জন্য আমি ডেলিভার ইট এই সাইটটি ব্যবহার করি। ব্লগে নতুন টিউন আসার সাথে সাথে তা অটোমেটিকালি ফ্যানপেজ গুলোতে টিউন দিয়ে দেয়।
Create Interlink Inside your Post to Hold Visitor For Long Time:
আপনার প্রতিটি টিউনে ইন্টারলিংকিং রাখবেন। ইন্টারলিংকিং হলো--- ধরুন আপনি একটি টিউন তৈরি করছেন তার সাথে রিলেটেড পূর্বে প্রকাশিত কোন টিউন এর লিংক যোগ করে দিন।
এটি আপনার সাইটে ভিজিটর দীর্ঘক্ষন ধরে রাখতে সহায়তা করবে। যার ফলে আপনার বাউন্স রেট কমবে। যা আপনার সার্চ ভিজিবিলিটি এর ক্ষেত্রে অনেক উপকার করবে।
Google Webmaster Tools:
বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে সাইট সাবমিট করার কথা আগেই বলেছি কিন্তু শুধু সাবমিট করে বসে থাকলে চলবে না, আপনার পেজটি গুরুত্বপূর্ণ্ মনে না হলে সার্চ ইঞ্জিন আপনার সাইট টি ক্রল করতে অনেক দেরি করতে পারে। সেজন্য সাইট ম্যাপ সাবমিটও করতে হবে। যেহুতু আমার বেশিরভাগ ভিজিটর আসে গুগল থেকে তাই আমি দেখাবো কিভাবে এখানে সাইট ম্যাপ সাবমিট করতে হবে। আপনাকে একই ভাবে অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনেও তা সাবমিট করতে হবে। গুগলে সাইট ম্যাপ সাবমিট করতে হলে আপনাকে Google Webmaster Tools টি ব্যবহার করতে হবে। এখানে ‍Dashboard  > Crawl >Sitemap এ যেয়ে আপনার সাইট ম্যাপটি সাবমিট করতে হবে। যদি আপনার সাইটে টিউন এর সংখ্যা 0 -500 এর মধ্যে হয় তাহলে নিম্নো্ক্ত কোডটি ব্যবহার করুন-
    /atom.xml?redirect=false&start-index=1&max-results=500
যদি আপনার সাইটে টিউন এর সংখ্যা 500 -1000 এর মধ্যে হয় তাহলে নিম্নো্ক্ত কোডটি ব্যবহার করুন-
আর একটি সাইট ম্যাপ আছে টিউন এর সংখ্যা যাই হোক না কেন আপনি ব্যবহার করতে পারেন-        /sitemap.xml
আপনি কোন দেশ খেকে ভিজিটর টার্গেট করেন সে দেশটি ও সিলেক্ট করে দিতে হবে। যা Dashboard  > ‍Search Traffic>International Targeting  এখানে পাবেন।
আমি ব্লগে এগুলো ব্যবহার করেছি, অন্যান্য সাইটে এটি একই রকম কিনা সে বিষয়ে আমি নিশ্চিত নই।
Bounce Rate:
এ বিষয়ে উপরে আগে আরেকবার বলেছি। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ধরুন একজন ভিজিটর আপনার পেজ এ ল্যান্ড করলো কিন্তু সাথে সাথে বা কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে চলে গেল (সাধারনত 45 সেকেন্ডের আগে) তাহলে আপনার বাউন্স রেট বেড়ে যাবে। কেন আপনার সাইটের বাউন্সরেট বেড়ে যাচ্ছে, আর সবার থেকে আপনি নিজেই তা ভালো জানেন। তাই কারন টি বের করুন ও ভিজিটর ধরে রাখার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন করুন। সুফল ও কুফল উপরে একবার বলে ফেলেছি।
Use Google Analytics:
Google Analytics এর ব্যবহারের মাধ্যমে আপনার ভিজিটর ট্রাক করুন। কোথা থেকে ভিজিটর আসছে, কি পড়ছে, কতক্ষন কোন পেজ এ থাকছে। ভিজিটর এর বয়স সীমা, Gender, সহ সকল বিষয়ে জানতে পারবেন। যা থেকে প্রাপ্ত তথ্য উপাত্ত আপনাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে।
Alexa Ranking:
Alexa Ranking ব্যবহার করুন। কিভাবে আপনার সাইট এর Ranking  কামবেন তা ভাবুন। অবশ্যই প্রচুর ভিজিটর এর মাধ্যমে। এ ছাড়াও কিছু সাধারন বিষয় আছে যা ব্যবহার করলে আপনার র‌্যান্কিং কমবে। এ বিষয়ে টেকটিউনসে টিউন আছে, যা ব্যবহার করে আমি সুফল পেয়েছে। গত 2 মাস আগেও আমার Blog এর Global Ranking ছিল 29,00,000 (+), বর্তমানে (আজকে) তা কমে দাড়িয়েছে 8,60,053 তে। একদিনে হয়নি অবশ্যই, ধীরে ধীরে হয়েছে এবং এখনো অব্যাহত আছে। আশাকরি আগমী 2/3 মাসের মধ্যে এটাকে 1 থেকে 2 লাখ এর মধ্যে রাখতে পারবো।
Target Your Visitor But Not Google:
সর্বপরি এবং সবশেষে একটা ছোট্ট কথা বলে শেষ করবো। গুগল বা অ্যাডসেন্স কে নয়, আপনার ভিজিটর কে টার্গেট করুন।